বাঙালি ফের জগৎসভায়

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo.

বহু বছর পর বাঙালির ক্যালেন্ডারে আজকের তারিখ ফের জ্বলজ্বলিয়ে উঠল। বাঙালির প্রাপ্তি আজ উপচে গিয়েছে। দুটো দারুণ পাওয়া। একটা, আন্তর্জাতিক স্তরে এবংঅন্যটা জাতীয় স্তরে। দুটো খবর দুরকম, কিন্তু বাঙালির আনন্দের মাত্রা তাহাতে কিছুমাত্র কম হবে না।

প্রথমটা অবশ্যই অনেক বেশি গর্বের। বঙ্গসন্তান, অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর স্ত্রী এস্থার ডাফলো ও মাইকেল ক্রেমার যৌথভাবে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। দারিদ্র দূরীকরণ বিষয়ে তাঁদের গবেষণাই এই পুরস্কার এনে দিল তাঁদের। অভিজিৎ বিনায়ক, কলকাতার সাউথ পয়েন্ট স্কুলের ছাত্র। অর্থনীতি নিয়ে অনার্স পড়েছিলেন প্রেসিডেন্সি কলেজে। তার পর দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর স্তরের পড়াশোনা এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করেছেন। তাঁর বিষয় ছিল “ইনফরমেশন ইকনমিক্স” দীর্ঘ কাল তিনি ম্যাসাচুসেটস বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। এই মুহূর্তে ফোর্ড ফাউন্ডেশনের আন্তর্জাতিক অধ্যাপক হিসেবে এমআইটি-তে কর্মরত অভিজিৎ বিনায়ক। ২০১৩ সালে অভিজিৎ এবং এস্থার ডাফলো যুগ্মভাবে ‘আব্দুল লতিফ জামিল প্রভার্টি অ্যাকশান ল্যাব’ গড়ে তুলেছিলেন বিশ্বের দারিদ্র নিয়ে গবেষণার জন্যে। তাঁদের পরীক্ষামূলক গবেষণাকেই সম্মান জানাচ্ছে নোবেল কমিটি।

অন্য খবরটির জন্য বাঙালি আনন্দিত নিশ্চয়ই হবে। বাঙলার ছেলে, কলকাতার ছেলে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বিসিসিআই, দ্য বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট অব ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে চলেছেন। কোনও বাঙালি এই সর্বোচ্চ সম্মান কখনও পাননি। সৌরভ দ্বিতীয় ক্রিকেটার যিনি এই পদের দায়িত্ব নিতে চলেছেন। এর আগে ভিজিয়ানাগরাম-এর মহারাজ বা ভিজি, যিনি ভারতের হয়ে মাত্র কয়েকটি টেস্ট খেলেছিলেন, তিনি ১৯৫৪ থেকে ১৯৫৬ পর্যন্ত বোর্ড প্রেসিডেন্টের পদে ছিলেন। ২০১৪ সালে গাওস্কর এবং শিবলাল যাদব অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন। এই পদের জন্য সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এক মাত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। অন্য কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় সৌরভ এই পদে নির্বাচিত হতে চলেছেন বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published.