মেদ ঝরাতে রোজ নিয়ম করে ঘি খান

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo.

ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয় স্বাস্থ্য সচেতন বাঙালিরা অনেকেই ঘি খেতে পছন্দ করেন না| চিকিৎসা বিজ্ঞান কিন্তু অন্য কথা বলছে| একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে ঘি খাওয়ার সঙ্গে ওজন বাড়ার কোনও সম্পর্ক নেই| উল্টে মাথা থেকে পায়ের নখ অবধি শরীরের একাধিক অঙ্গের সচলতা বৃদ্ধিতে ঘি-এর কোনও বিকল্প নেই| আসুন জেনে নিন নিয়মিত ঘি খাওয়ার উপকারিতা কী কী|

১) বন্ধ নাক খুলে দেয় : ঠান্ডা লেগে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া নতুন কিছু নয়| বন্ধ নাক ঠিক করতে সকালে ঘুম থেকে উঠে কয়েক ফোঁটা হাল্কা গরম ঘি নাকে দিন| দেখবেন সঙ্গে সঙ্গে আরাম পাবেন|

২) ক্যানসারকে দূরে রাখে : ঘি’য়ে উপস্থিত মৌলিক উপাদানগুলি ক্ষতিকারক কোষের তীব্রতা কমাতে সাহায্য করে| ফলে কোষের বিন্যাসে পরিবর্তন হয়ে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়| 

৩) পেটের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে : ঘি’য়ে উপস্থিত বুটিরিক অ্যাসিড পেটের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে|

৪) ব্রেন টনিক হিসেবে কাজ করে : এতে উপস্থিত ওমেগা-৬ এবং ফ্যাটি অ্যাসিড শরীর এবং মস্তিষ্ককে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে|

৫) কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে : অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন| তাঁদের জন্য ঘি খুবই উপকারী| রাতে শুতে যাওয়ার আগে গরম দুধে এক চা চামচ শুদ্ধ ঘি মিশিয়ে পান করুন| দেখবেন সকালে পেট পরিষ্কার হয়ে যাবে|

৬) ওজন কমাতে সাহায্য করে : নিয়মিত ঘি খেলে ওজন কমে| শুনতে অবাক লাগলেও এটা কিন্তু সত্যি| একাধিক কেস স্টাডি করে দেখা গেছে ঘি-তে উপস্থিত এসেনসিয়াল অ্যামিনো অ্যাসিড শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বি ঝড়িয়ে ফেলতে সাহায্য করে|

৭) হার্টের জন্য ভাল : গবেষণা বলছে রিফাইনড অয়েলের তুলনায় ঘি অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর| এমনকি দেখা গেছে নিয়মিত ঘি খেলে শরীর থেকে খারাপ কোলেস্ট্রোল কমে গিয়ে ভাল কোলেস্ট্রোলের বৃদ্ধি হচ্ছে|

৮) হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায় : খাবার হজম করতে বিভিন্ন স্টমাক অ্যাসিডের প্রযোজন হয়| নিয়মিত ঘি খেলে স্টামাক অ্যাসিডের বৃদ্ধি হয়| ফলে বদহজম এবং গ্যাস-অম্বল হওয়ার আশঙ্কা কমে| প্রখ্যাত সেলেব্রিটি নিউট্রিশনিস্ট রজুতা দিওয়েকর তার লেখা একাধিক বইতে ঘিয়ের উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে বলেছেন খিচুড়ি বা গুরুপাক খাবার ঠিক মত হজম করাতে এই সবের সঙ্গে ঘি খাওয়া জরুরি| কারণ ঘি যে কোনও ধরনের মশলাদার খাবারকে সহজে হজম করিয়ে দিতে সক্ষম|

৯) ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে :আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে ঘি হল প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার‚ যা ত্বক আর ঠোঁটের হারিয়ে যাওয়া আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে| শুধু তাই নয় প্রতি দিন অল্প পরিমাণে ঘি-এর সঙ্গে যদি সামান্য জল মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন তা হলে ত্বকের বয়স চোখে পড়ার মত কমবে|

১০) চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ে : নিয়মিত ঘি খেলে দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে| সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অনেক সময় সাহায্য করে|

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *