এক্সারসাইজের ভুলে বয়স বাড়ছে না তো?

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo.

শরীর সুস্থ ও ফিট রাখতে এক্সরাসাইজের কোনও বিকল্প নেই। কিন্তু জানেন কী, এক্সারসাইজ করার পদ্ধতিতে ভুল হলে লাভের চেয়ে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। গবেষকরা জানিয়েছেন যে এক্সারসাইজ করার ভুলে আপনাকে বয়স্ক দেখাতে পারে। কী কী সেই ভুল আসুন দেখে নিই—

পশ্চারের ব্যাপারে সচেতন না হওয়া—জিমে আপনি যতই কসরত করুন না কেন, ওয়র্কআউট করার সময় যদি পশ্চার ভুল থাকে, তা হলে কোনও লাভ হবে না। বরং ভুল পশ্চারের কারণে মেরুদণ্ডে চাপ পড়তে পারে, যার থেকে হতে পারে একাধিক সমস্যা। সুতরাং এক্সারসাইজের উপর যতটা জোর দেন, ততটাই দিন সঠিক পশ্চারের উপর। না হলে দেখবেন এক্সারসাইজ করেও কোনও এনার্জি নেই, শরীরে গতি নেই। খারাপ পশ্চারের কারণে আপনাকে দেখতেও বয়স্ক লাগবে।

শুধুই কার্ডিওর উপর জোর দেওয়া—ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কার্ডিও ওয়র্কআউট নিঃসন্দেহে খুব ভাল অপশন, কিন্তু অতিরিক্ত কার্ডিও করলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। একটা বয়সের পর আপনার শরীরের হাড় ও মাংসপেশির যদি যথেষ্ট এক্সারসাইজ না হয়, তা হলে তাদের ক্ষয় হতে পারে। যার ফলে শরীর মন্থর হয়ে যায়। ওয়র্কআউটের নতুন নিয়ম অনুযায়ী ১৮-৫০ বছরের মধ্যে সপ্তাহে দু’বার ওয়েট ট্রেনিং এক্সারসাইজ করা জরুরি। এতে মাংসপেশি টোনড হয় এবং এক্সারসাইজের পরও ক্যালরি বার্ন হতে থাকে।

হাই-ইনটেনসিটি ইন্টারভ্যাল ট্রেনিং (HIIT) না করা—এই ধরনের ট্রেনিং কঠিন ঠিকই কিন্তু এই ধরনের এক্সারসাইজ করলে অনেক দিন পর্যন্ত বয়স ঠেকিয়ে রাখা যায়। শুধু বাহ্যিক চেহারার কথা বলছি না, শরীরের কোষের বয়সও থামিয়ে রাখা যায়। HIIT শরীরে এনার্জির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি মেটাবলিক রেটও বাড়ায়, ফলে ওজন কমে। শরীর অনেক ঝরঝরে হয়ে যায়।

পেলভিক এক্সারসাইজ না করা—পেলভিক এক্সারসাইজ বেজায় শক্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। একটা বয়সের পর পেলভিক ফ্লোরের মাংসপেশির যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। পর্যাপ্ত পরিমাণে এক্সারসাইজ না করলে পেট ও তার আশপাশে সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিডনির সমস্যাও হতে পারে। এমনকী ইউরিন ধরে রাখাটা মুশকিল হয়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিত কিগেল এক্সারসাইজ করা জরুরি।

স্ট্রেচিং অবহেলা করা—এক্সারসাইজ শুরু করার আগে স্ট্রেচ করতে ভুলবেন  না। স্ট্রেচিং না করলে কিন্তু মাসল ও টিস্যুতে টেনশন হতে পারে, যা শরীরের সমস্ত কোষের বয়স বাড়িয়ে দিতে পারে। স্ট্রেচিং করলে অন্য দিকে শরীর নমনীয় হয়, যার ফলে এক্সারসাইজ করাও সহজ হয়ে যায়।

সব সময় জিমে থাকা—ওয়কর্আউটের মাঝে বিশ্রাম নেওয়াটাও জরুরি। প্রতি দিন জিমে যদি অনেকটা সময় কাটান আর ভাবেন বয়স দিব্যি কমিয়ে রাখতে পারবেন, তা হলে ভুল করবেন। শরীরকে সেরে ওঠার সময় দেওয়া দরকার। এতে কর্টিসলের পরিমাণও কমবে যা স্ট্রেস দূর করতে সাহায্য করবে। ফলে খোশমেজাজে থাকতে পারবেন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *