ইলাহি ইলিশ – সাবেক সাজে ইলিশ পদের Pop-up লাঞ্চ

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo.

তেলঝোলে স্নাত কিংবা সর্ষের সোহাগী প্রলেপে মাখো মাখো। সবেতেই সে সমান স্বচ্ছন্দ। যাকে বলে শো-স্টপার। ইলিশ নিয়ে দু-চার কথায় শর্মিলা বসু ঠাকুর…

ইলিশ, যাঁরা তাকে ভালোবাসেন, মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন | যাঁদের অপছন্দ, বিলকুল না পসন্দ | হ্যাঁ, ইলিশ একটু দেমাকী | এ দেমাক তাকে মানায় | বাইরের চেহারায় ঝিলমিলে চাকচিক্যে, অন্তরের কোমলতায়, তার উপস্থিতির বিলাসী বৈভবে এই অহংকার তার অলংকার | তার চরিত্রেই আছে এমন এক রঙিন উৎসবের আমেজ যা গতানুগতিক, দৈনন্দিন, আটপৌরে মেজাজ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন |

সংস্কৃতে ‘ইল্লিশ’ শব্দের অর্থ ‘যে জলে গমন করে এবং অতীব স্বাদু |’ বাংলার, বিশেষত ওপার বাংলার মানুষের জীবনে আচার অনুষ্ঠানের অঙ্গ ইলিশ | মা দুর্গার বিসর্জনের পর থেকে শ্রীপঞ্চমী পর্যন্ত ইলিশ জালে ধরা বা খাওয়া তাদের কাছে নিষেধ ছিল | সরস্বতী পুজোর দিন জোড়া ইলিশ ঘরে তুলে, সিঁদুর, নোড়া, ধান-দুব্বো ও শুকনো পাটপাতা কুলোয় সাজিয়ে উলু দিয়ে বরণ করা হয় জালের এই রুপালি শষ্যকে | এ হেন ইলিশ আপ্যায়ন বাঙালি সংস্কৃতিতেই সম্ভব | যে সংস্কৃতির ঋদ্ধ, বিস্তৃত আঙিনায় রান্নাবান্না শুধুমাত্র দৈনন্দিন গৃহকর্ম নয়, খাওয়াদাওয়া কেবলমাত্র উদরপূর্তির জন্য নয় | এ এক এমনই জীবনচর্যা, যেখানে শিল্প, সংস্কৃতি, ইতিহাস, সমাজ মিলেমিশে একাকার |

আসা যাক ইলিশের আপাদমস্তক আলোচনায় | ইলিশের মাথা থেকে ল্যাজা সবকিছুই তরিবত করে রান্না করা যায় | মানে এ বড় লক্ষ্মীমন্ত | গৃহস্থের সুবিধে অসুবিধের কথা মানে রাখে এই সুন্দরী মৎসকন্যা | তাই তো একটি মাছ থেকে বানিয়ে ফেলা যায় সপ্তপদ – মাথা দিয়ে ছ্যাঁচড়া, ভাজা, কানকো ভাজা, ডিমভাজা, তেলঝোল, ভাপা, ল্যাজা দিয়ে অম্বল | পি সি সরকারের ম্যাজিকও হার মানবে এই বিস্তৃত প্ল্যাটারের কাছে | এর দাম দেবেন না ?

ইলিশের মহিমা অপার | সংক্ষেপে শেষ করার নয় | তবু বলি, আগের মতো সুস্বাদু মাছ আজকাল মেলে না | হন্তদন্ত জীবনে রান্নার তেমন সময় থাকে না হাতে, তবুও খাদ্যরসিক বাঙালি ইলিশকে বড় আদর করে কাছে রেখেছে | আজকাল রেস্তোরাঁতেও পাওয়া যায় বাঙালি ভোজ | কিন্তু রেস্তোরাঁ তো রেস্তোরাঁই | যদি বলি বাঙালি বাড়িতে বসে, খাঁটি বাঙালি পরিবারে ইলিশের হারিয়ে যাওয়া নানা পদ বেড়ে দেওয়া হয় ? পারবেন এ হেন আদরের হাতছানি উপেক্ষা করতে ? করবেনই বা কেন ? আপনাদের জন্যই তো এ আয়োজন | ঠাকুরবাড়ির প্রভাসুন্দরী দেবীর বহু পুরনো রেসিপি চেখে দেখতে পারবেন এই আয়োজনে | বিশদে জানতে / বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ করুন – 9830454545 নম্বরে অথবা ইমেল করুন – banglalive@celciusindia.com-এ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *