কেতজেল পাখি (পর্ব ১৫)

Bengali Novel

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo.

একটা ভয়ঙ্কর অবস্থা চারপাশে। আর ঠিক তখনই অন্যদিকে বাঁক খেল জীবন। আরেকটা নতুন অধ্যায়। ঘুরে যাওয়া আনকোরা, প্রায় অচেনা একটা রাস্তায়।

সেলে আমার সেলমেটদের মধ্যে প্রদ্যোতদা আর কল্লোলদা। একজন যাদবপুর এঞ্জিনিয়ারিং। অন্যজন প্রেসিডেন্সী। সঙ্গে আরও কয়েকজন। এদিকে আমি তো তখনও উঁচু ক্লাসের দাদাদের ভাষায় ‘লুম্পেন প্রলেতারিয়েত।’ ছোটবেলা থেকে বেড়ে ওঠা স্বভাবটাকে পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারিনি তখনও। মাঝেমাঝেই গালাগাল দিয়ে ফেলি। মাথা গরম করে তেড়ে যাই এর তার দিকে। যদিও লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ার পর থেকেই একটু একটু করে কাটছিল সেটা। প্রতীপদা, ডাক্তারদাদের হাত ধরে। আর অমিতেশ স্যর। আমার জীবন নামে জাহাজটার ক্যাপ্টেন। একটু একটু করে পাল্টে দিচ্ছিলেন আমাকে। যেন গঙ্গার পাড় থেকে তুলে আনা একতাল নরম মাটি। ছেনে ছেনে মূর্তি তৈরি করার চেষ্টা করছিলেন একটা। সে সুযোগ আর পেলেন কই। তার আগেই তো পার্টির কাজ নিয়ে গ্রামে চলে গেলেন। আর এদিকে সময়ও তো ছোট হয়ে আসছিল দিন কে দিন। খালপাড়ের বস্তি থেকে উঠে আসা একটা রাগী ছেলে। ‘লুম্পেন প্রলেতারিয়েত’ থেকে ‘প্রলেতারিয়েত’ হয়ে ওঠার আগেই তো ধরা পরে চালান হয়ে জেলে। ডাক্তারদা, প্রতীপদা, অমিতেশ স্যরদের শেষ না করতে পারা কাজটা ফের নতুন করে শুরু হলো জেলে এসে। প্রদ্যোতদা, কল্লোলদাদের হাত ধরে। আমাকে কি ভালোটাই না বাসতো ওরা। লকআপে আমিই সবার চেয়ে ছোট। ঘণ্টার পর ঘণ্টা আমার সঙ্গে কথা বলতো ওরা। গল্প শোনাতো। দেশবিদেশের গরীবগুর্বো মানুষের লড়াইয়ের গল্প। আমার কথা শুনতো। কথার মাঝেমাঝেই হাসতে হাসতে ফেটে পড়তো আমার বলার কায়দায়। আবার কথার মাঝখানে মুখ ফসকে একটা গালাগাল বেড়িয়ে পড়লেই মাথার পেছনে একটা চাঁটি আর কান ধরে পাঁচবার ওঠবোস, প্রত্যেকবার। আমাকে বোঝাত প্রদ্যোতদা। “এই যে কথায় কথায় রেগে গিয়ে গালাগাল দিয়ে এর ওর দিকে তেড়ে যাস তুই, এটা আসলে তোর দুর্বলতা। আসলে মনের কোনে কোথাও শত্রুপক্ষ সম্পর্কে একটা ভয়ের জায়গা রয়েছে তোর। আর সেটাকে ঢাকা চাপা দিতেই উৎকট গর্জন, গালাগাল এসবের প্রয়োজন হয় তোর। এগুলো কাটিয়ে ওঠ। দেখবি একদিন আমাদের সবার চেয়ে বড় রেভল্যুশনারি হবি তুই। আ ট্রু গেরিলা ওয়ারিয়ার। কারণ আমরা সবাই যেখান থেকে এসেছি পিওর মিডল এ্যান্ড আপার মিডল ক্লাসেস, সেই পেটিবুর্জোয়া ভাইসেস থেকে ভয় পেয়ে, নানা ধরনের লোভ আর সুযোগ সুবিধার হাতছানিতে পিছিয়ে আসার একটা প্রবণতা থাকতেই পারে আমাদের মধ্যে। কিন্তু তুই …” আমার দিকে উজ্জ্বল চোখে তাকিয়েছিলো প্রদ্যোতদা। “তুই যেখান থেকে উঠে এসেছিস, ওই বস্তির ঘর, নোংরা, আবর্জনা, দুর্গন্ধ, দারিদ্রের সাথে চোয়াল কষা লড়াই, এগুলো তোকে শক্ত করেছে রোজ। ইচ এ্যান্ড এভরি মোমেন্টস ইন ইওর লাইফ। তাই তোর লোভের পিছুটান অনেক কম।” কি সুন্দর বলতো প্রদ্যোতদা। মনের মধ্যে হাতুড়ি দিয়ে ঠুকে দিতো একেকটা শব্দকে। ঠিক অমিতেশ স্যরের মতো। স্যরের কাছে গল্প শুনতাম। এবার শুরু হলো নিজে পড়ার পালা, কল্লোলদাদের চাপে পড়ে। সেলে লুকিয়ে লুকিয়ে আনা হতো সেসব বই। লি শাও চির ‘হাউ টু বি আ গুড কম্যুনিস্ট’, ‘জয়া শুরার গল্প’, হেমিংওয়ের ‘ফর হুম দ্য বেল টোলস’, আরও অনেক বই। এদিকে নিজের তো স্বপন কুমার আর হাঁদা ভোঁদা ছাড়া আর কিছু পড়ার অভ্যেস নেই কোনদিন। মাঝে মাঝেই পড়তে পড়তে বিরক্ত হয়ে “দুত্তেরি, নিকুচি করেছে তোমাদের পড়ার!” বলে বই ছুড়ে ফেলে দিতাম। এগিয়ে আসতো কল্লোলদা। কাঁধে হাত রেখে অদ্ভুত শান্ত একটা হাসি হেসে নীচুগলায় বলতো – “পড় পড়, হাল ছাড়িস না। দেখবি পড়তে পড়তেই একদিন ঠিক ভালো লেগে যাবে।” আর অবাক কাণ্ড। হচ্ছিলোও ঠিক তাই। ধীরে ধীরে ঢুকে যাচ্ছিলাম বইয়ের অক্ষরগুলোর মধ্যে। চেটেপুটে খাচ্ছিলাম প্রতিটা পাতাকে। অনুভূতিটা অনেকটা সেই স্নানের সময় জল ঢুকে অনেকদিন বন্ধ হয়ে থাকা কানের পর্দা হঠাৎ খুলে যাওয়ার মতো। শোঁ শোঁ করে খোলা হাওয়া ঢুকছে। প্রথম যেদিন ভুপেন্দ্র কিশোর রক্ষিতরায়ের ‘ভারতে সশস্ত্র বিপ্লব’ – এর মতো ইয়া মোটা বইটা পড়ে শেষ করলাম। সে আনন্দ বলে বোঝানো যাবে না। বইটা সেলের মেঝেতে নামিয়ে রেখেই চিৎকার করে লাফ দিয়ে উঠেছিলাম –“আমি পেরেছি! আমি পেরেছি!!”

এদিকে জেলের পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে উঠছিল দিন কে দিন। রাষ্ট্র যেন ঠিকই করে ফেলেছিল জেলের মধ্যে কাউকে আর বাঁচিয়ে রাখবে না। মাঝে মাঝেই পাগলি ঘণ্টি বেজে উঠছিল জেল কাঁপিয়ে। বেপরোয়া লাঠিচার্জ, চরাগোপ্তা গুলি, বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারা চলছিল সমানে। এরকমই একটা পাগলির দিন শহীদ হলো বেহালার সাগরদা, বাবলুদা। মারতে মারতে দোতলা থেকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয় সাগরদাকে। থেঁতলে কিমা পাকানো মাংসের মতো হয়ে গেছিল শরীরটা।

সেই রাতে জেলে কেউ খায়নি। ফুঁপিয়ে কাঁদছিল কমরেডরা। গলা ফাটিয়ে স্লোগান তুলেছিল অনেকে। আমার কাঁধে চোট। পাঁচহাতি ডাণ্ডার মার। মুখের একপাশটা ফুলে ঢোল। ধুম জ্বর আর শরীরে অসহ্য যন্ত্রণা। বারবার মনে হচ্ছিল এভাবে চলতে থাকলে একদিন জেলের মধ্যেই মরে যাবো আমি। সাগরদা – বাবলুদাদের মতো। অমিতেশ স্যরের কথা মনে পড়ছিল খুব। ক্লাসে গল্পটা শুনিয়েছিলেন স্যর। একটা পাখির গল্প। দক্ষিন আমেরিকার আমাজনের জঙ্গলে দেখতে পাওয়া যায়। সেখানকার আদিবাসীরা কেতজেল নামে ডাকে পাখীটাকে। বন্দী অবস্থায় বেশিদিন বাঁচেনা পাখীটা। নিজেকে অনেকটা ওই পাখীটার মতো মনে হচ্ছিল। বুকের মধ্যে ওর ডানার ঝাপটানি শুনতে পাচ্ছিলাম যেন। খাঁচা কেটে আকাশে উড়তে চাইছে কেজেল। আর সেই ওড়ার সুযোগটা তৈরি হচ্ছিল বেশ কিছুদিন ধরেই।

জেলের একপাশে গঙ্গার ধারে লাল পাঁচিলটার একটু দুরে একটা শুকনো কুয়ো। জেল পুলিশ আর গার্ডরাও ঠিকঠাক জানতো না কেন ওটা রয়েছে সেখানে। কিন্তু শওকত চাচা জানতো। শওকত আলি মণ্ডল। ধবধবে পাকা চুল আর দাড়ি। একসময় ক্যানিং লাইনের হাড়কাঁপানো ডাকাত। অনেকগুলো ডাকাতি আর খুনের আসামী। পয়সাওয়ালা গেরস্তের কাপড়ে চোপরে হয়ে যেতো ওর নাম শুনলে। লম্বা মেয়াদী লাইফার এই জেলে। পুরোনো মেট। জেলখানার প্রতিটা ইঞ্চির খবর রাখতো নখের ডগায়। কেন জানিনা আমাকে খুব ভালোবাসতো বুড়ো। সেই ছোটবেলা থেকেই আমার খিদেটা একটু বেশি। ‘চৌকা’ মানে রান্নাঘর থেকে লুকিয়ে চুরিয়ে একবাটি ডাল অথবা একটা মাছের টুকরো, মাঝেমাঝেই এনে খাওয়াতো আমাকে। সেই চাচাই আমাকে শুনিয়েছিলো গল্পটা। ওই কুয়োটার ওপর পাটাতন খাটিয়ে ফাঁসি দেওয়া হতো বিপ্লবীদের। সেই ব্রিটিশ আমলে। কুয়োটার তলায় একটা সুড়ঙ্গ আছে। দীর্ঘদিন অব্যবহারে মাটি আর পলি পড়ে পড়ে বুজে গেলেও সুড়ঙ্গটা রয়েছে। উত্তেজনায় দম আটকে আসছিল আমার – “ফের খোড়া যাবে?” ফিসফিসে গলায় প্রশ্ন করেছিলাম চাচাকে।

সেটা তো তোদের ব্যাপার। তোরা বুঝবি।” মুচকি হেসে উঠে গিয়েছিলো জেলঘুঘু, লাইফার।

সন্ধের পড় গিনতি ফাইল শেষ করে কয়েদি নম্বর মিলিয়ে নিয়ে চলে গেল আর্দালি মেট আর জমাদার সেপাই। সেলের টিমটিমে আলোর নীচে বসে শওকত চাচার কথাটা বললাম প্রদ্যোতদাদের। চুপ করে শুনছিল সবাই। “ইউরেকা!” আমার বলা শেষ হওয়া মাত্র কল্লোলদার মুখ থেকে ছিটকে বেরোলো শব্দটা। সেদিন অনেক রাত পর্যন্ত জেগেছিলাম আমরা। একই সঙ্গে সতর্ক থাকতে হচ্ছিল বারবার টহল দিয়ে যাওয়া গার্ড সেপাই আর সাধারণ কয়েদীদের সম্পর্কে। ওদের মধ্যে দুতিনজন দাগী আসামী যারা আসলে ইনফর্মার। সামান্য আঁচ পেলেও পরদিন সকালেই জেলারের টেবিলে পৌঁছে যাবে খবরটা। নজর রাখতে হচ্ছিল সেদিকেও।

জেলে পার্টি নেতৃত্বের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা চললো দুদিন ধরে। “নো বেল, ব্রেক জেল” – পার্টির ঘোষিত নীতির সাফল্য নির্ভর করছে পরিকল্পনার সফল রুপায়নের ওপর। প্ল্যান অনুযায়ী পরদিন সকালে গিয়ে ধরলাম শওকত চাচাকে। “বাগানে কাজ করতে চাই।” শুনে ফের একবার মুচকি হাসলো বুড়ো। “তবে রে হারামি। শিকলি কাটার মতলব।” তবে মনে মনে কি ভেবেছিলো কে জানে, পরের দিন সকালে ডেপুটি জেলার ভবানন্দ গুছাইতের টেবিলে ডাক পড়লো আমার। টেবিলের পাশে রাখা একটা চেয়ারে পা তুলে বসেছিলো গুছাইত। আমাকে দেখে চোখ নাচালো। ঠোঁটের কোনে শেয়ালে হাসি – “কিরে সেয়ানা? বিপ্লব ছেড়ে শেষ অবধি ফুলের বাগান! তা ভালো, মতিগতি ফিরুক তোদের। তাহলে লেগে যা কাল থেকেই তা দেখিস আবার, সটকানোর প্ল্যানফ্যান ভাঁজিস না যেন। তোদের শালা বিশ্বাস ফিশ্বাস নেই।” কথাগুলো বলার সময় একদৃষ্টে আমাকে মাপছিল গুছাইত। পাক্কা শয়তান লোকটা। জেলে প্রত্যেকটা ‘পাগলী’ আর নকশাল বন্দীদের পিটিয়ে মারার পেছনে সরাসরি হাত ছিল ওর। টেবিলের ওপর রাখা একটা পাথর। ক্যাম্বিস বলের সাইজ। পেপার ওয়েটের বদলে। ইচ্ছে করছিল এক ঝটকায় গলাটা পেঁচিয়ে ধরে ঠুকে দি রগের পাশে। কিন্তু না, এটা তার সময় নয়। অনেক বড় একটা পরিকল্পনা ভেস্তে যাবে তাতে। অনেক কষ্টে একটা তাঁবেদারি হাসি ঠোঁটের কোনে ঝুলিয়ে রেখে সামলালাম নিজেকে। তারপর ঘাড় নেড়ে বেড়িয়ে এলাম ঘর থেকে।

পরদিন সকাল থেকেই ‘মালি’র কাজে বহাল হয়ে গেলাম আমি আর কালাচাঁদদা। কালাচাঁদ মিস্ত্রী। তারাতলার কারখানায় হাম্বর পেটাতো। লোহাপেটা চেহারা। অসুরের মতো জোর গায়ে। বেহালা এ্যাকশন স্কোয়াডের কর গ্রুপ মেম্বার। বাগানে কাজ করার ফাঁকে ফাঁকে পালা করে কুয়োয় নেমে যেতুম দুজনে পালা করে শওকত চাচার জোগাড় করে দেওয়া মোটা কাছি দড়ি বেয়ে, সঙ্গে বাগানে কাজ করার দুটো মজবুত শাবল আর কোদাল। লাগাতার চলছিল খোঁড়ার কাজ। বাইরে পাহারায় থাকা শওকত চাচা আর দুজনের একজন কেউ। কাছেপিঠে কাউকে আসতে দেখলে বা সামান্য বিপদের গন্ধ পেলেই কোমরে বাঁধা দড়িটার ওপর থেকে একটা হাল্কা টান। সঙ্গে সঙ্গে তরতরিয়ে উঠে আসা দড়ি বেয়ে। অন্ধকার কুয়োর মধ্যে ভ্যাপসা গরম আর দুর্গন্ধ। ছোট টর্চ জ্বালিয়ে খুঁড়তে খুঁড়তে দমবন্ধ হয়ে আসতো। তবু একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি খোঁড়ার কাজ। মাঝে মাঝে রাউন্ডে আসতো গুছাইত। “বাঃ, বেড়ে বাগান করেছিস তো শালারা। ফুলটুল তো ভালোই ফুটেছে দেখছি। কর কর, মন দিয়ে কাজ কর।” কথার জবাবে দাঁত বের করে হাসতাম শুধু। সেপাইদের নিয়ে দুলকিচালে চলে যেতো গুছাইত। এরকম চলতে চলতে মাসখানেক বাদে একদিন। শাবল দিয়ে প্রথম খোঁচাটা মেরেছি মাটিতে, সরু একটা আলোর পিন এসে বিঁধে গ্যালো চোখে। উত্তেজনায় পরপর আরও বেশ কয়েকটা শাবলের খোঁচা। হড়বড় করে দুহাতে মাটি টেনে সরাতেই হাত দশেক দুরে আদিগঙ্গার জল। প্রচণ্ড আনন্দে চিৎকার করে উঠতে গিয়েই মুখে হাত চাপা দিলাম। বেশ কিছুক্ষণ লাগলো নিজেকে সামলাতে। আলগোছে মাটি জড়ো করে সাবধানে বুজিয়ে দিলাম গর্তটা। তারপর উঠে এলাম দড়ি বেয়ে। একটু দুরে গাছে জল দিচ্ছিল কালাচাঁদদা। পাশে খুড়পি হাতে উপুড় হয়ে বসা শওকত চাচা। পোড়খাওয়া জেলঘুঘু আমার মুখ দেখেই মূহুর্তে বুঝে নিলো যা বোঝার। “তা হলে বাচ্চা?” আমাকে ওই নামেই ডাকতো চাচা। “কাজ তো হয়ে গ্যালো। এবার আল্লার নাম নিয়ে ঢিল দাও সবাই মিলে।” সেই মূহুর্তে অদ্ভুত একটা কথা ফসকে বেরোল মুখ থেকে। কেন সেটা আজও জানা নেই। “তুমিও আমাদের সঙ্গে চলো না চাচা। কদ্দিন এভাবে জেলের মধ্যে পচবে? ও আমি কল্ললদাদের বুঝিয়ে সুঝিয়ে রাজি করিয়ে নেবোখন।” আমার দিকে তাকিয়ে অদ্ভুত চোখে হেসেছিল সোঁদরবনের বাঘাটে ডাকাত। “সত্যিই মাথার ব্যারাম আছে তোর। আরে পাগলা, অনেক বড় কাজ করতে যাচ্ছিস তোরা। সেখানে আমার মত এঁদোছেঁদো চোরডাকাত

চলবে…

গত পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/ketjel-pakhi-the-bird-with-the-fiery-wings-bengali-novel-14/

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

5 Responses

  1. একদম প্রেসিডেন্সি ব্রেক এর সঙ্গে একটা মিল । আহ , কী অসাধারণ বর্ণনা!

  2. সরু একটা আলোর পিন…. ওটাই, ওটাই তো সেই সারা জীবন ধরে খুঁজছি আমরা….

  3. কেতজেল — কেতজেল — শুধু এই নামে বইটা বেরোবে ছাপাখানা থেকে …সরু আলোর পিন ঠিক দেখা যাবে। সেদিন কিন্তু আপনাকে সই করে দিতে হবে পাতায় — অপেক্ষায় রয়েছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *