পরীক্ষা-ভীতি দূর করতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন এই খাবারগুলো…

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo.

পরীক্ষা-ভীতি কীভাবে কাটিয়ে উঠবে সে বিষয়ে আমরা এর আগে আলোচনা করেছি। কিন্তু একটা কথা মানতেই হবে যে, যতই যাই হোক না কেন পরীক্ষার আগে বুক দুরু দুরু করবেই! প্রস্তুতি যতই ভাল হোক না কেন, পরীক্ষার আগে অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়া, পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমের অভাব ইত্যাদি নানা কারণে শরীরের ওপর একটা চাপ পড়ে। কিন্তু এমন কিছু খাবার আছে যা ডায়েটে রাখলে এই পরীক্ষা ভীতি থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।

* নাশপাতি – নাশপাতিতে অনেক বেশি পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। সেইসঙ্গে রয়েছে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা স্নায়ুকে শিথিল করে এবং স্ট্রেস দূরে রাখে।

* চেরি- চেরিতে রয়েছে মেলাটোনিন নামের একটি রাসায়নিক, যা ভাল ঘুমের সহায়ক। নিয়মিত চেরি খেলে ঘুম ভালো হবে এবং ঘুমের অনিয়ম দূর হবে। আর ঘুম ভালো হলে স্ট্রেস কম থাকবে।

*করমচা- স্ট্রেস কমাতে করমচার জুড়ি মেলা ভার। ভিটামিন ও খনিজে ভরপুর এই ফলে কোলিন নামের একটি রাসায়নিক আছে যা লিভারে গিয়ে বেটাইন উৎপাদন করে। বেটাইন স্ট্রেস কম রাখে।

* দুধ- ভিটামিন বি১২ এর খুবই ভালো একটি উৎস হলো দুধ। এই ভিটামিন মানুষের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রকে সুস্থ রাখে। এ ছাড়া দুধে ট্রিপটোফ্যানও থাকে, যা ঘুম ভালো হতে সাহায্য করে।

* ডিম- ডিমে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন, কোলিন, বিভিন্ন ভিটামিন বি এবং পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট। এগুলো স্মৃতিশক্তি বাড়ায় ও স্নায়ুতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

* আমন্ড- আমন্ড ভিটামিন বি১২ এবং ই-এর ভরপুর উৎস। এগুলি স্ট্রেসের সময়ে এগুলি আমাদের শরীরের ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

* পালং শাক- পালং-শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম এবং আয়রন, যা আমাদের শরীরে প্রয়োজনীয় এনজাইম তৈরি করতে সাহায্য করে। যা পরোক্ষভাবে আমাদের স্ট্রেস লেভেল কমাতে সাহায্য করে।

* কলা- কলা আমাদের মস্তিষ্কে সেরোটনিন সরবরাহ করে। সেরোটনিন আমাদের মস্তিস্ককে শান্ত রাখতে এবং রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

* কমলালেবু-  কমলালেবু ফলিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন সি-এর প্রধান উৎস, যা আমাদের রক্তচাপ এবং স্ট্রেস হরমোনকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

* জল- জলের কোনও বিকল্প নেই। শরীরের যে কোনও সমস্যায় জল সবথেকে ভাল ওষুধ। রাত জেগে পড়াশোনা করার ফলে শরীরে জলের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই এই সময়ে প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া উচিত।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *